খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img

বিদ্যুত চুক্তি বাতিল হচ্ছেনা,দাম কমাতে চলছে আলোচনা: জ্বালানিমন্ত্রী

বিগত সরকারের সময় বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি এখনই বাতিল করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সরকার। কারণ এসব চুক্তির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে...
Homeবিশ্ব সংবাদযেকোনো মূল্যে হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখবে ইরান: আমোলি লারিজানি

যেকোনো মূল্যে হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখবে ইরান: আমোলি লারিজানি

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবস্থান সাময়িক কোনো সিদ্ধান্ত নয়। বরং বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিকে কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছে তেহরান। ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক চাপ বা সামরিক হুমকির মুখেও গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ সহজে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কোনো পরিস্থিতিতেই ছেড়ে না দেওয়ার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান। দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি ও বর্তমানে এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের প্রধান আয়াতুল্লাহ আমোলি লারিজানি বলেছেন, প্রয়োজন হলে যেকোনো মূল্য দিতে হলেও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক পথের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে তেহরান।

রোববার (৯ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আইআরআইবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের অবস্থান আরও কঠোর হয়েছে। দেশটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা হিসেবে আমোলি লারিজানির বক্তব্যে সেই অবস্থানেরই প্রতিফলন দেখা গেছে।

হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করা এই সরু জলপথ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বড় একটি অংশ পরিচালিত হয়। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস রপ্তানির ক্ষেত্রে হরমুজের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ফলে এই পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলো নয়, বিশ্ববাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

আমোলি লারিজানির বক্তব্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবস্থান সাময়িক কোনো সিদ্ধান্ত নয়। বরং বর্তমান পরিস্থিতিতে এটিকে কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবেই দেখছে তেহরান। ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক চাপ বা সামরিক হুমকির মুখেও গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ সহজে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব দীর্ঘদিন ধরেই হরমুজকে দেশের নিরাপত্তা ও কৌশলগত সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। আঞ্চলিক কোনো সংঘাত তৈরি হলে এই জলপথের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। কারণ, হরমুজের মাধ্যমে পারস্য উপসাগরের দেশগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারের যোগাযোগ তৈরি হয়।

আমোলি লারিজানির বক্তব্যে তাই শুধু একটি সামুদ্রিক পথ নিয়ন্ত্রণের বিষয় নয়, বরং ইরানের বৃহত্তর নিরাপত্তা ও কৌশলগত অবস্থানের কথাও উঠে এসেছে। তাঁর ভাষ্য থেকে বোঝা যায়, হরমুজের নিয়ন্ত্রণকে তেহরান নিজেদের জন্য এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা হিসেবে দেখছে, যা কোনো সহজ চাপের মুখে ত্যাগ করার ইচ্ছা তাদের নেই।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব বোঝার জন্য এর ভৌগোলিক অবস্থানই যথেষ্ট। এটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল উৎপাদনকারী অঞ্চল পারস্য উপসাগরের দেশগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পাঠাতে এই জলপথের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও ইরাকসহ কয়েকটি দেশের জ্বালানি রপ্তানির সঙ্গে হরমুজ সরাসরি যুক্ত। ফলে এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে বড় ধরনের বাধা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।

এর প্রভাব পড়তে পারে তেলের দাম, পরিবহন ব্যয় এবং বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে। বিশেষ করে যেসব দেশ আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর বেশি নির্ভরশীল, তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

এই কারণেই হরমুজ প্রণালিতে সামান্য উত্তেজনাও আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি করে। সেখানে কোনো ধরনের সামরিক সংঘাত বা নৌ চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী বাধা তৈরি হলে তা আঞ্চলিক সংকটকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সমস্যায় পরিণত করতে পারে।

হরমুজকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা নতুন নয়। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সেই উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে বলে ইরানি পক্ষের বক্তব্যে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালানোর পর তেহরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি বলে ইরানি সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে।

ইরানের দৃষ্টিতে সামরিক হামলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর হরমুজের নিয়ন্ত্রণ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এই জলপথে স্বাভাবিক নৌ চলাচল নিশ্চিত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ফলে দুই পক্ষের অবস্থান পরস্পরবিরোধী হয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি শুধু একটি বাণিজ্যিক নৌপথ হিসেবে নয়, বরং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত চাপ প্রয়োগের অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবেও সামনে এসেছে।

ইরানের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে। এর ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানে যাওয়া-আসা করা জাহাজগুলোর চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। কোনো দেশের বন্দর বা আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচল সীমিত হলে এর প্রভাব সংশ্লিষ্ট দেশের আমদানি-রপ্তানিতে পড়তে পারে। একই সঙ্গে পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচও বেড়ে যেতে পারে।

ইরান এমন পরিস্থিতিকে নিজেদের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হলো, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং সামুদ্রিক চলাচলের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন।

ফলে হরমুজকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আরোপ করা নতুন নিয়ন্ত্রণ মেনে নেওয়া ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সামনে কার্যকর কোনো বিকল্প নেই বলে দাবি করেছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আমির আকরামিনিয়া।

তিনি বলেছেন, হরমুজে ইরান যে নতুন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করেছে, সেটি পরিবর্তনযোগ্য নয়। যুক্তরাষ্ট্র এই পরিস্থিতি বদলে দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাতে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না বলে দাবি করেন তিনি।

ইরানি এই সামরিক কর্মকর্তার বক্তব্যে কঠোর সতর্কবার্তাও রয়েছে। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজে ইরানের বর্তমান নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে এবং বর্তমানে যে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, তা আরও বাড়বে।

এতে স্পষ্ট যে হরমুজ ইস্যুতে ইরান কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। সামরিক পর্যায় থেকেও কঠোর অবস্থানের কথা প্রকাশ্যে জানানো হচ্ছে।

আমির আকরামিনিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি মেনে নেওয়া ছাড়া দেশটির সামনে আর কোনো পথ নেই। অন্যথায় অতীতে যে ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, ভবিষ্যতে তার চেয়েও বড় মূল্য দিতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

এই বক্তব্যকে ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি সামরিক সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এমন বক্তব্যের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে, সামুদ্রিক যোগাযোগের মতো স্পর্শকাতর একটি বিষয় যখন সামরিক সংঘাতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়, তখন পরিস্থিতি খুব দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। একটি পক্ষ কোনো পদক্ষেপ নিলে অন্য পক্ষ পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে। এতে সংঘাতের পরিধি বাড়ার ঝুঁকি থাকে।

হরমুজের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বেশি। কারণ এটি কেবল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য।

হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘ সময় ধরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হলে এর প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারে পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে অপরিশোধিত তেলের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ দেখা দিতে পারে।

তেলের দাম বাড়লে পরিবহন থেকে শুরু করে শিল্প উৎপাদন পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে ব্যয় বাড়তে পারে। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপরও পড়তে পারে। কারণ জ্বালানির মূল্য বাড়লে পণ্য পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পকারখানার পরিচালন ব্যয়ও বেড়ে যায়।

তবে বাস্তব প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে হরমুজে জাহাজ চলাচল কতদিন ব্যাহত থাকে, বিকল্প পথে কতটা বাণিজ্য সরানো সম্ভব হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতি কেমন থাকে তার ওপর।

এ কারণে হরমুজের পরিস্থিতি শুধু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য নয়, এশিয়া ও ইউরোপের জ্বালানি আমদানিকারক দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

হরমুজ নিয়ে ইরানের কঠোর অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। পারস্য উপসাগরের আশপাশে এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। ফলে সেখানে কোনো নতুন সংঘাত শুরু হলে তা দ্রুত আঞ্চলিক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

ইরান যদি হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে এবং যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্ররা তা চ্যালেঞ্জ করে, তাহলে সমুদ্রপথে মুখোমুখি অবস্থানের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

একই সঙ্গে বেসামরিক জাহাজ ও বাণিজ্যিক নৌযানের নিরাপত্তাও বড় প্রশ্ন হয়ে উঠতে পারে। কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ ভুল করে সংঘাতপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক চাপের পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি হলে কোনো পক্ষই পুরোপুরি লাভবান হবে না। বরং আঞ্চলিক দেশগুলো থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি পর্যন্ত এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

ইরান তার নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থের বিষয়টি সামনে রাখছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলছে। দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে এই দূরত্ব কমাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রয়োজন হতে পারে।

হরমুজের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হলে শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলো নয়, বিশ্ব অর্থনীতিও কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে।

আমোলি লারিজানির বক্তব্য এবং ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের সতর্কবার্তা থেকে বোঝা যাচ্ছে, হরমুজ প্রশ্নে তেহরান আপাতত পিছু হটার কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছে না। বরং দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব একই ধরনের কঠোর অবস্থান তুলে ধরছে।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্বের কারণে এখানে তৈরি হওয়া যেকোনো সংকট দ্রুত আন্তর্জাতিক উদ্বেগে পরিণত হতে পারে। একটি সরু সামুদ্রিক পথকে ঘিরে শুরু হওয়া বিরোধ তাই শুধু ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; এর প্রভাব পড়তে পারে জ্বালানি বাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও।

তথ্য সূত্র: আল-জাজিরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আর্কাইভ