খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img
Homeআবহাওয়াবাংলাদেশে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা : কোন কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি...

বাংলাদেশে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা : কোন কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি?

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, যেসব অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলো হলো—খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, রাজশাহী

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবারও বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দেশের ১২টি অঞ্চলে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া অফিসের এই সতর্কবার্তা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বাসিন্দা, নৌযান চালক এবং নদীবন্দর কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।

১২ জেলায় বজ্রবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার (৭ জুন) ভোর ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য বিশেষ আবহাওয়া বার্তা জারি করা হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দেশের ১২টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন :  বাঘের পাশাপাশি কুমিরও সংকটে! সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জরুরি নতুন উদ্যোগ

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। ফলে এসব এলাকার জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

যেসব অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, যেসব অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলো হলো—খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, রাজশাহী

এসব অঞ্চলের আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

বৈরী আবহাওয়ার সম্ভাবনার কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সাধারণত নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে এই ধরনের পরিস্থিতিতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বজ্রঝড়ের সময় নদীপথে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাই যাত্রীবাহী লঞ্চ, ট্রলার এবং ছোট নৌযানের চালকদের আবহাওয়ার সর্বশেষ আপডেট অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন :  কলকাতার মরণফাঁদ হোটেল! ১১০০ বর্গফুটে ৫ ঘর, পাশেই আরও বিপজ্জনক গেস্ট হাউস

বজ্রপাতের সময় যেসব সতর্কতা মেনে চলবেন

বজ্রসহ বৃষ্টির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা মেনে চললে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। যেমন—

  • খোলা মাঠ বা উন্মুক্ত স্থানে অবস্থান করা থেকে বিরত থাকুন।
  • বজ্রপাতের সময় গাছের নিচে আশ্রয় নেওয়া এড়িয়ে চলুন।
  • নদী, পুকুর বা জলাশয়ে অবস্থান না করাই নিরাপদ।
  • বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারে সতর্ক থাকুন এবং সম্ভব হলে প্লাগ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখুন।
  • জরুরি প্রয়োজন ছাড়া নৌপথে যাতায়াত এড়িয়ে চলুন।

তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বজ্রবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। অর্থাৎ, তাপমাত্রার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোনো ওঠানামার পূর্বাভাস নেই।

তবে বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে তাপমাত্রা কিছুটা কম অনুভূত হতে পারে। একই সঙ্গে আর্দ্রতার মাত্রা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমও অনুভূত হতে পারে।

আরও পড়ুন :  ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ ম্যাজিকের প্রত্যাবর্তন, নোরা ফতেহির নতুন গান ঘিরে তুঙ্গে উন্মাদনা

আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্য অনুসরণের পরামর্শ

বাংলাদেশে বর্ষা মৌসুমে বজ্রঝড় ও আকস্মিক আবহাওয়ার পরিবর্তন একটি সাধারণ ঘটনা। তাই আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাস নিয়মিত অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নদীপথ ব্যবহারকারী, জেলে সম্প্রদায় এবং উন্মুক্ত স্থানে কর্মরত ব্যক্তিদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দেশের ১২টি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একই সঙ্গে নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি এবং সচেতনতা প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আর্কাইভ