খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img

বিদ্যুত চুক্তি বাতিল হচ্ছেনা,দাম কমাতে চলছে আলোচনা: জ্বালানিমন্ত্রী

বিগত সরকারের সময় বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি এখনই বাতিল করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সরকার। কারণ এসব চুক্তির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে...
Homeরাজনীতিছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিলেন সাদিক কায়েম

ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিলেন সাদিক কায়েম

ছাত্রজীবনের এই দীর্ঘ পথচলায় আত্মিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশের ক্ষেত্রেও সংগঠনটির অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। এসব শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের পথচলায় তাকে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম সংগঠনটির সদস্য হিসেবে নিজের অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সংগঠনের নিয়মিত সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তার বিদায় সম্পন্ন হয়েছে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক জীবনের নানা স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও অর্জনের কথাও তুলে ধরেন।

ফেসবুক পোস্টে আবু সাদিক কায়েম বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির তার জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি সংগঠনটিকে নিজের “আবেগ ও ভালোবাসার প্রিয় সংগঠন” হিসেবে উল্লেখ করে জানান, জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান ও ফলপ্রসূ সময়গুলোর বড় একটি অংশ তিনি এই সংগঠনের সঙ্গে কাটিয়েছেন।

আরও পড়ুন :  বেনজীর আহমেদ কি জামিন পাবেন? দুবাই আদালতে কী হতে পারে পরবর্তী পদক্ষেপ!

তিনি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ সাংগঠনিক পথচলার পর স্বাভাবিক নিয়ম অনুসারেই তার আনুষ্ঠানিক বিদায় সম্পন্ন হয়েছে। এই সময়ের প্রতিটি অভিজ্ঞতার জন্য তিনি মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন।

আবু সাদিক কায়েম তার বার্তায় উল্লেখ করেন, ছাত্রশিবির তাকে শুধু একটি সংগঠনের কর্মী হিসেবে নয়, একজন সচেতন নাগরিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংগঠনটি তাকে দেশ ও জাতির কল্যাণ নিয়ে চিন্তা করতে শিখিয়েছে। পাশাপাশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলা, নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন এবং সাংগঠনিক দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রজীবনের এই দীর্ঘ পথচলায় আত্মিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশের ক্ষেত্রেও সংগঠনটির অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। এসব শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের পথচলায় তাকে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন :  "আমি ক্ষমতা চাই না"— অবসরের ভাবনা প্রত্যাখ্যান করে কী বললেন শেখ হাসিনা?

পোস্টে অতীতের নানা স্মৃতির কথা স্মরণ করে আবু সাদিক কায়েম বলেন, সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও কর্মীদের সঙ্গে কাটানো সময় তার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। তাদের সান্নিধ্যে থেকে তিনি প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখেছেন এবং বিভিন্ন সময়ে অনুপ্রাণিত হয়েছেন।

তিনি জানান, সাংগঠনিক জীবনের প্রতিটি ধাপে সহযোদ্ধাদের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা তার ব্যক্তিগত ও নেতৃত্বের বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

পোস্টের শেষাংশে আবু সাদিক কায়েম সংগঠনের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। তিনি প্রার্থনা জানান, ছাত্রশিবিরের কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক যেন আল্লাহ কবুল করেন এবং সংগঠনটি ভবিষ্যতেও ন্যায়, মানবিকতা ও নিপীড়িত মানুষের মুক্তির সংগ্রামে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়।

একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংগঠনটি আগামী দিনে যোগ্য, দক্ষ ও আদর্শ নেতৃত্বের মাধ্যমে আরও সমৃদ্ধ হবে এবং দেশের ছাত্রসমাজ ও জাতির কল্যাণে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

আরও পড়ুন :  আওয়ামী লীগের বিচার হবে আদালতেই, নির্বাহী আদেশে নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আবু সাদিক কায়েমের ছাত্রশিবির থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় তার ছাত্ররাজনৈতিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করার পর নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তার এই বিদায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তার ফেসবুক পোস্টে ব্যক্তিগত অনুভূতি, কৃতজ্ঞতা এবং সংগঠনের প্রতি শুভকামনা ফুটে উঠেছে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আর্কাইভ