খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img

বিদ্যুত চুক্তি বাতিল হচ্ছেনা,দাম কমাতে চলছে আলোচনা: জ্বালানিমন্ত্রী

বিগত সরকারের সময় বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি এখনই বাতিল করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সরকার। কারণ এসব চুক্তির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে...
Homeজাতীয়তুরস্ক সফরে গেলেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

তুরস্ক সফরে গেলেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

এ ধরনের সফর দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে নতুন সহযোগিতার পথও উন্মুক্ত হতে পারে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পাঁচ দিনের সরকারি সফরে তুরস্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তুরস্ক সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে তিনি রবিবার (১৯ জুলাই) ঢাকা ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

সফর চলাকালে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তুরস্কের বিভিন্ন আধুনিক প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করবেন। এসব প্রতিষ্ঠানে সামরিক প্রযুক্তি, অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির সক্ষমতা এবং গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেবেন তিনি।

বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বিকাশমান প্রতিরক্ষা শিল্পের দেশ হিসেবে তুরস্ক ইতোমধ্যে ড্রোন প্রযুক্তি, সাঁজোয়া যান, যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র এবং উন্নত সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও পড়ুন :  বেলিংহ্যামের দুর্দান্ত গোলে সমতায় ফিরল থ্রি লায়ন্স, বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে রোমাঞ্চ

সরকারি এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও সম্প্রসারণ করা। এ উদ্দেশ্যে সেনাপ্রধান তুরস্কের সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময় করবেন।

বৈঠকগুলোতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা, যৌথ উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গুরুত্ব পেতে পারে।

সফরের আলোচ্যসূচিতে সামরিক প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোও গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উন্নত প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সফর দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে। একই সঙ্গে আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে নতুন সহযোগিতার পথও উন্মুক্ত হতে পারে।

আরও পড়ুন :  ৪ আগস্টের এনায়েতপুর থানা: কীভাবে প্রাণ হারান ১৫ পুলিশ সদস্য?

বাংলাদেশ ও তুরস্কের কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি পর্যায়ের এই সফর সেই সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করে তুলতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নের ক্ষেত্রেও এ সফর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা প্রতিটি দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সে প্রেক্ষাপটে সেনাপ্রধানের তুরস্ক সফরকে কেবল সৌজন্যমূলক সফর নয়, বরং কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন :  আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল প্রেম? সম্পর্ক বাঁচাতে এই নিয়মগুলো না জানলেই নয়!

বিশেষ করে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সামরিক প্রশিক্ষণ এবং শিল্প সহযোগিতার মতো খাতে পারস্পরিক অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হতে পারে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আধুনিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জনের পথে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আর্কাইভ